পূর্ব পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে এক যুবতীকে নির্জন জায়গায় ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল দুই যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ থানা এলাকায়। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে মিনাখাঁ থানার পুলিশ। ধৃতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানা এলাকার বাসিন্দা। বসিরহাটের মিনাখাঁ থানা এলাকার দুই যুবকের সঙ্গে তাঁর আগে থেকেই পরিচয় ছিল। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরেই যুবতীকে মিনাখাঁর একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। নির্যাতিতার দাবি, সেখানে তাঁকে ধর্ষণ করে ওই দুই যুবক। ঘটনার পরই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রবিবার ধৃতদের বসিরহাট আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়েছে। কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, অভিযুক্তদের সঙ্গে যুবতীর পরিচয় কত দিনের এবং ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
অন্যদিকে, এরই মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় পুলিশের গুলিতে এক অভিযুক্তের মৃত্যুর ঘটনাও ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার রাতে একটি ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য অভিযুক্ত প্রহ্লাদকে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ।
পুলিশের দাবি, পুনর্নির্মাণ শেষে ফেরার পথে এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি। বাধা দেওয়া হলে পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন অভিযুক্ত। তাঁর গুলিতে এক পুলিশকর্মী আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আত্মরক্ষার্থে পালটা গুলি চালায় পুলিশ। সেই গুলিতে গুরুতর জখম হন প্রহ্লাদ। তাঁকে তড়িঘড়ি বনগাঁ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার মিনাখাঁয় যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে নতুন করে উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার পরিস্থিতি।

