খবরের সঙ্গে, আপনার সঙ্গেamraikhobor.com • বাংলা
ENTERTAINMENT. SPORTS. STORIES.বাংলার খবর। বাংলার ভাষায়।
FridayNovember 6, 2026
নজরে এখন ✦কালীপুজোয় বাড়তি মেট্রো পরিষেবা! ব্লু ও গ্রিন লাইনে চলবে অতিরিক্ত ট্রেন, রাত ১১টা পর্যন্ত মিলবে মেট্রো · নির্বাচন কমিশনের অন্দরে ক্ষমতার ভারসাম্য ফেরানোর চেষ্টা! সীমা খন্নার উপর ফিরল ডেপুটি ইলেকশন কমিশনারের নজরদারি, নতুন নির্দেশিকা জ্ঞানেশ কুমারের · ৩৭টি অভিযোগের পর নতুন এফআইআর আটকাতে হাই কোর্টে আবেদন, তবুও রক্ষাকবচ পেলেন না ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল! খারিজ আর্জি
কলকাতা

কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড ডিলিমিটেশন মামলা এবার ডিভিশন বেঞ্চে! পুজোর ছুটিতে জরুরি শুনানির আর্জি খারিজ, ভোট ঘোষণা নিয়ে আশঙ্কা মামলাকারীর

Arunima karmakar ·

কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন মামলার জল এবার গড়াল ডিভিশন বেঞ্চে। একক বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে পুজোর ছুটিতে জরুরি ভিত্তিতে মামলাটির শুনানির আবেদন খারিজ করে দিল আদালত। পুজোর অবকাশ শেষ হওয়ার পরই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

বিচারপতি অরিন্দম মুখার্জির ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, যেহেতু একক বেঞ্চে মামলাটি ইতিমধ্যেই গৃহীত হয়েছে, তাই নির্বাচন ঘোষণা হলে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিমুহূর্তে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সুযোগ রয়েছে আবেদনকারীদের। সেই কারণে এই মুহূর্তে পুজোর অবকাশকালীন বেঞ্চে জরুরি ভিত্তিতে মামলাটি শোনার প্রয়োজনীয়তা দেখছে না আদালত।

অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশের আবেদন জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন মামলাকারী দীপু দাসের আইনজীবী শামিম আহমেদ। তাঁর আশঙ্কা, ইতিমধ্যেই যদি পুরভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যায়, তাহলে এই মামলার আর কোনও গুরুত্ব থাকবে না। সেই কারণেই দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে সেই আর্জিতে আপাতত সাড়া দেয়নি ডিভিশন বেঞ্চ।

কী নিয়ে বিতর্ক কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড ডিলিমিটেশন?

উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার আসনসংখ্যা ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে ২০৯ করা হয়েছে। অর্থাৎ নতুন করে যুক্ত হয়েছে ৬৫টি ওয়ার্ড। কীসের ভিত্তিতে এই ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস করা হল, সেই প্রক্রিয়ায় আদৌ কোনও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন মামলাকারী।

আবেদনকারীর মূল অভিযোগ, কলকাতার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সীমানা পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বা যুক্তিসঙ্গত মাপকাঠি অনুসরণ করা হয়নি। বরং প্রশাসনের ইচ্ছেমতো এবং খামখেয়ালিভাবে এই পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। মামলাকারীর দাবি, এতদিন ১৪৪টি ওয়ার্ডের মাধ্যমেই কলকাতা পুরসভার পরিষেবা স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। সেখানে হঠাৎ করে আরও ৬৫টি ওয়ার্ড বাড়ানোর সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তাঁদের আরও বক্তব্য, এই অতিরিক্ত ওয়ার্ড তৈরির ফলে কলকাতার সাধারণ বাসিন্দারা আদৌ কোনও বাড়তি নাগরিক পরিষেবা বা সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। ফলে পুরসভার আসনসংখ্যা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত যেমন অযৌক্তিক, তেমনই গোটা ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়াও অবৈজ্ঞানিক। এই অভিযোগগুলিকে সামনে রেখেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারী। এবার পুজোর অবকাশের পর ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানির দিকে নজর থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *