খবরের সঙ্গে, আপনার সঙ্গেamraikhobor.com • বাংলা
ENTERTAINMENT. SPORTS. STORIES.বাংলার খবর। বাংলার ভাষায়।
FridayNovember 6, 2026
নজরে এখন ✦কালীপুজোয় বাড়তি মেট্রো পরিষেবা! ব্লু ও গ্রিন লাইনে চলবে অতিরিক্ত ট্রেন, রাত ১১টা পর্যন্ত মিলবে মেট্রো · নির্বাচন কমিশনের অন্দরে ক্ষমতার ভারসাম্য ফেরানোর চেষ্টা! সীমা খন্নার উপর ফিরল ডেপুটি ইলেকশন কমিশনারের নজরদারি, নতুন নির্দেশিকা জ্ঞানেশ কুমারের · ৩৭টি অভিযোগের পর নতুন এফআইআর আটকাতে হাই কোর্টে আবেদন, তবুও রক্ষাকবচ পেলেন না ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল! খারিজ আর্জি
দেশ

দীপাবলির উপহার দেওয়া-নেওয়াই দিল্লির দূষণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ? বিত্তশালীদের ‘প্রতিপত্তি প্রদর্শন’ নিয়ে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

Arunima karmakar ·

দিল্লির বাতাসে ক্রমশ বাড়ছে বিষের মাত্রা। ভয়াবহ বায়ুদূষণে কার্যত শ্বাস নেওয়াই দায় হয়ে উঠেছে রাজধানীবাসীর। এই পরিস্থিতিতে দীপাবলির উপহার আদানপ্রদানের সংস্কৃতি নিয়েই প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, উৎসবকে কেন্দ্র করে উপহার দেওয়া-নেওয়ার প্রবণতা এখন আর শুধুমাত্র সৌজন্যের বিষয় নয়। সমাজের বিত্তশালী শ্রেণির একাংশের কাছে তা সামাজিক মর্যাদা ও প্রতিপত্তি প্রদর্শনের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে দূষণের মাত্রা কমাতে এই সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে আদালত।


শুক্রবার একটি মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর দূষণের সমস্যা মোকাবিলায় প্রয়োজন ‘সাংস্কৃতিক পরিবর্তন’। তাঁর মতে, দীপাবলিতে উপহার দেওয়া-নেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ধরনের সামাজিক প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। বিশেষত সমাজের বিত্তশালী অংশের মধ্যে এই প্রবণতা প্রতিপত্তি প্রদর্শনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। উৎসবের মরসুমে কেনাকাটা এবং যানবাহনের অতিরিক্ত আনাগোনাও রাজধানীর দূষণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

এদিকে শুক্রবার দিল্লির গড় বায়ুগুণমান সূচক বা AQI পৌঁছে যায় ৩৮৯-এ। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজধানীর একাধিক এলাকায় AQI ৪০০-র মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছে। অর্থাৎ বাতাসের গুণমান কার্যত গুরুতর দূষণের পর্যায়ে। আগামী ৮ নভেম্বর দীপাবলি। তার আগে কেনাকাটার জন্য দিল্লির বিভিন্ন বাজারে ক্রেতাদের ভিড়ও বাড়ছে।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতি আরও জানান, দিল্লির দূষণের জন্য শুধুমাত্র রাজধানীর নিজস্ব যানবাহনকে দায়ী করা যথেষ্ট নয়। উৎসবের সময়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য গাড়ি দিল্লিতে প্রবেশ করে। সেই সমস্ত গাড়ির ফিটনেস কিংবা নির্গত ধোঁয়ার পরিমাণ পরীক্ষা করা কার্যত কঠিন হয়ে পড়ে।
উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গাড়ি রাজধানীতে ঢুকছে। সেগুলির সামগ্রিক ফিটনেস এবং কতটা বিষাক্ত ধোঁয়া নির্গত হচ্ছে, তা যাচাই করার কার্যকর ব্যবস্থা নেই। এমনকী কোনও গাড়ি মাত্র দু’ঘণ্টার জন্য দিল্লিতে প্রবেশ করলেও দূষণের ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। ফলে দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক পদক্ষেপের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সামাজিক অভ্যাস ও উৎসব পালনের ধরনেও পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে এল শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *