দুর্গাপুজোর পাস দুর্নীতি মামলায় ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ নথি। তার মধ্যে একাধিক সম্পত্তির দলিলও রয়েছে বলে আদালতে জানালেন সরকারি আইনজীবী। শুক্রবার ইন্দ্রনীলের বাসভবনে তল্লাশি চালিয়ে মোট ১৩টি নথি বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। সেগুলি খতিয়ে দেখে তদন্তের অগ্রগতি ঘটাতে চাইছে পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত ইন্দ্রনীলকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত।
আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ ছিল। তবে তার আগেই শনিবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়। শুনানিতে সরকারি আইনজীবী জানান, অভিযুক্তের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া নথিগুলির মধ্যে একাধিক বাড়ির দলিল রয়েছে। সেগুলির সত্যতা ও বিস্তারিত তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ছুটির কারণে সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করতেও সময় লাগতে পারে। তদন্ত এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে বলে দাবি করে ইন্দ্রনীলকে জেল হেফাজতে পাঠানোর আবেদন জানান তিনি।
অন্যদিকে, ইন্দ্রনীল সেনের আইনজীবী তাঁর মক্কেলের জামিনের আবেদন করেন। একই সঙ্গে জেলে তাঁকে প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদা দেওয়ার আর্জি জানান। ইন্দ্রনীল নিয়মিত যে ওষুধগুলি খান, জেল কর্তৃপক্ষ যাতে সেগুলি সরবরাহের ব্যবস্থা করেন, সেই আবেদনও জানানো হয় আদালতে।
দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ইন্দ্রনীলকে আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। ফলে আপাতত জেলেই থাকতে হচ্ছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীকে। বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ১৩টি নথি খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা কী তথ্য পান, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

