নৈহাটির বড়মা মন্দিরের ট্যাগলাইনে বড়সড় বদল। এতদিন মন্দিরের সঙ্গে জুড়ে ছিল ‘ধর্ম যার যার, বড়মা সবার’ স্লোগান। এবার সেই পরিচিত ট্যাগলাইন সরিয়ে জায়গা করে নিল নতুন স্লোগান—‘বড়মায়ে ভক্তি, সনাতনের শক্তি’। শুক্রবার থেকেই কার্যকর হয়েছে নতুন ট্যাগলাইন। ইতিমধ্যেই মন্দির চত্বর থেকে পুরনো স্লোগান সরিয়ে বসানো হয়েছে নতুনটি। গেরুয়া আলোয় ঝলমল করছে মন্দিরের নতুন ট্যাগলাইন। বড়মা কমিটির তরফেও এই পরিবর্তন নিয়ে কোনও আপত্তি নেই বলে জানানো হয়েছে।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরেই বড়মার ট্যাগলাইন পরিবর্তন ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন করে বিতর্ক। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই বহু ভক্ত পুরনো স্লোগান পরিবর্তনের আবেদন জানিয়ে আসছিলেন। তাঁদের সেই দাবিকে গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন স্লোগানকে স্বাগত জানিয়েছেন ভক্তদের একাংশ। তবে অন্যদিকে, আপত্তিও তুলেছেন অনেকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরনো ট্যাগলাইন ফিরিয়ে আনার দাবিতে সরব হয়েছেন একাংশের ভক্ত। তাঁদের বক্তব্য, ‘ধর্ম যার যার, বড়মা সবার’ স্লোগানটির মধ্যে যে সর্বজনীনতার বার্তা ছিল, তা অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য।
নৈহাটির বড়মা কেবল একটি কালীপুজোর পরিচয় নয়, বহু মানুষের আবেগ, বিশ্বাস ও ভক্তির কেন্দ্র। ১০৩ বছরে পা দিতে চলেছে এই পুজো। বছরের প্রতিটি দিনই মন্দিরে ভক্তদের ভিড় লেগে থাকে। অনেকের মতে, বড়মা সকলের। তাঁকে কোনও নির্দিষ্ট ধর্মীয় পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রাখার প্রয়োজন নেই। ট্যাগলাইন পরিবর্তন হলেও ভক্তদের কাছে বড়মার গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতায় কোনও প্রভাব পড়বে না। তাঁদের কথায়, মায়ের প্রতি বিশ্বাসই আসল, আলাদা করে কোনও স্লোগানের প্রয়োজন নেই।
এর আগেও একাধিকবার বড়মা মন্দিরকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কখনও ভিআইপি সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ, কখনও পুজো দিতে এসে পুণ্যার্থীদের একাংশের অসন্তোষ—বিভিন্ন কারণে চর্চায় এসেছে মন্দির। এবার নতুন ট্যাগলাইন ঘিরে ফের আলোচনার কেন্দ্রে নৈহাটির বড়মা।
যদিও ট্যাগলাইন পরিবর্তনের সঙ্গে রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের কোনও সম্পর্ক নেই বলেই দাবি করেছেন নৈহাটির বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, এলাকার বহু বাসিন্দা দীর্ঘদিন ধরেই সনাতনী ভাবধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি ট্যাগলাইনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বড়মা কমিটির কাছেও এই মর্মে আবেদন জমা পড়েছিল। ভক্তদের সেই মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই নতুন স্লোগান চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্দির কমিটির এক সদস্যের কথায়, ‘বড়মায়ে ভক্তি, সনাতনের শক্তি’—নতুন এই স্লোগান সাধারণ মানুষও সাদরে গ্রহণ করবেন বলে তাঁরা আশাবাদী। তবে পুরনো স্লোগান ফিরিয়ে আনার দাবিতে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তা কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরেই বড়মার ট্যাগলাইন পরিবর্তন ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন করে বিতর্ক। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই বহু ভক্ত পুরনো স্লোগান পরিবর্তনের আবেদন জানিয়ে আসছিলেন। তাঁদের সেই দাবিকে গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন স্লোগানকে স্বাগত জানিয়েছেন ভক্তদের একাংশ। তবে অন্যদিকে, আপত্তিও তুলেছেন অনেকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় পুরনো ট্যাগলাইন ফিরিয়ে আনার দাবিতে সরব হয়েছেন একাংশের ভক্ত। তাঁদের বক্তব্য, ‘ধর্ম যার যার, বড়মা সবার’ স্লোগানটির মধ্যে যে সর্বজনীনতার বার্তা ছিল, তা অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য।
নৈহাটির বড়মা কেবল একটি কালীপুজোর পরিচয় নয়, বহু মানুষের আবেগ, বিশ্বাস ও ভক্তির কেন্দ্র। ১০৩ বছরে পা দিতে চলেছে এই পুজো। বছরের প্রতিটি দিনই মন্দিরে ভক্তদের ভিড় লেগে থাকে। অনেকের মতে, বড়মা সকলের। তাঁকে কোনও নির্দিষ্ট ধর্মীয় পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রাখার প্রয়োজন নেই। ট্যাগলাইন পরিবর্তন হলেও ভক্তদের কাছে বড়মার গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতায় কোনও প্রভাব পড়বে না। তাঁদের কথায়, মায়ের প্রতি বিশ্বাসই আসল, আলাদা করে কোনও স্লোগানের প্রয়োজন নেই।
এর আগেও একাধিকবার বড়মা মন্দিরকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কখনও ভিআইপি সংস্কৃতি নিয়ে অভিযোগ, কখনও পুজো দিতে এসে পুণ্যার্থীদের একাংশের অসন্তোষ—বিভিন্ন কারণে চর্চায় এসেছে মন্দির। এবার নতুন ট্যাগলাইন ঘিরে ফের আলোচনার কেন্দ্রে নৈহাটির বড়মা।
যদিও ট্যাগলাইন পরিবর্তনের সঙ্গে রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের কোনও সম্পর্ক নেই বলেই দাবি করেছেন নৈহাটির বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, এলাকার বহু বাসিন্দা দীর্ঘদিন ধরেই সনাতনী ভাবধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি ট্যাগলাইনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বড়মা কমিটির কাছেও এই মর্মে আবেদন জমা পড়েছিল। ভক্তদের সেই মতামতকে গুরুত্ব দিয়েই নতুন স্লোগান চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্দির কমিটির এক সদস্যের কথায়, ‘বড়মায়ে ভক্তি, সনাতনের শক্তি’—নতুন এই স্লোগান সাধারণ মানুষও সাদরে গ্রহণ করবেন বলে তাঁরা আশাবাদী। তবে পুরনো স্লোগান ফিরিয়ে আনার দাবিতে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তা কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেটাই দেখার।

